আলেমগণ হচ্ছেন নবীর উত্তরসূরি।তাই তাঁদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের থেকে একটু বেশিই।
একজন সাধারণ মুসলমানের প্রধান দায়িত্ব ৪ টি।আলেমগণের ক্ষেত্রে সাথে আরো ৪ চারটি দায়িত্ব রয়েছে,যা নিছে দেওয়া হলো।
![]() |
| লা ইলাহা ইল্লাল্লহ |
মানুষ হিসেবে ৪ টিঃ
- ঈমান আনা
- আমলে সালেহ তথা সৎ কর্ম করা
- সঠিক দীনের উপর থাকার জন্য একে অপরকে উপদেশ দিতে থাকা
- আমলের পাবন্দী করার জন্য একে অপরকে উপদেশ দিতে থাকা। অর্থাৎ কারো মধ্যে কোনো ত্রুটি দেখতে পেলে তা সংশোধনের নসীহত করা।
নবীর উত্তরসূরি হিসেবে আরো ৪ টি কাজ রয়েছে যা নবীজীর যুগে নবুয়তের দায়িত্ব হিসেবে ছিলোঃ
- কুরানে কারীম তেলোয়াত করে লোকদের শোনানো।
- বাহ্যিক ও আত্মিক সব ধরনের নাপাকি তথা বাতিল আকিদা ও মন্দ স্বভাব-চরিত্র থেকে পবিত্র করে উত্তম স্বভাব -চরিত্রে চরিত্রবান করা।মন্দ স্বভাব হলো ১০ টিঃলোভ, আশা, ক্রোধ, মিথ্যা, পরনিন্দা, কার্পণ্য, হিংসা, লোক দেখানো আমল ও বিদ্বেষ। আর উত্তম স্বভাব হলো ৯ টিঃ ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, অল্পেতুষ্টি, জ্ঞান, বিশ্বাস, সমর্পণ, নির্ভরশীলতা, সন্তুষ্টি ও স্বীকৃতি।
- কুরানে কারীমের ভাববস্তু তথা কুরানে উল্লিখিত মাসয়ালা ও নসীহত ইত্যাদি শেখানো।
- লোকদের সুন্নাত তথা সেসব তালীম ও হিদায়াত শেখানো, যেগুলো রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তি, কর্ম বা অনুমোদন দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দীনী অত্যাবশ্যকীয় সকল ইলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই বিষয়-চারটি নবুয়াত যুগে রিসালাতের পদবীয় কর্তব্য হিসেবে সূরা জুমুআয় উল্লেখ হয়েছে-
"তিনিই নিরক্ষরদের মধ্যে থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাঁদের নিকট পাঠ করেন তাঁর আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত, যদিও ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট ভ্রান্তিতে ছিলো।"
এভাবে এ বিষয়টি সূরায়ে বাকারা [আয়াত ১২৯ ও ১৫১] ও সূরা আলে ইমরানে [আয়াত ১৬৪] বর্ণিত হয়েছে। এসব আয়াত দ্বারা এ বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, এ কাজে চারটি হল নবী-প্রেরণের উদ্দেশ্য। আর এগুলো হল রিসালাতের পদবীয় দায়িত্ব বা করনীয়।


Important informatio. Thanks
ReplyDelete