- গড়গড়ার সাথে কুলি করা(যদি সে রোযাদার নয়া হয়)
- নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌছানো।
- সমস্ত শরীরে ভালোভাবে পানি পৌছানো।
উপরোক্ত তিনটি কাজ সম্পাদন করলেই গোসল হয়ে যাবে, তবে নিম্নে বর্ণিত সুন্নাত তরীকায় গোসল করলে গোসল পরিপূর্ণ হবে এবং তা ইবাদতের মধ্যে গণ্য হবে।
গোসল করার সুন্নাত তরীকা
- গোসলের প্রারম্ভে বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম পড়বে।
- পবিত্রতা অর্জনের নিমিত্তে গোসল করছি এই নিয়ত করবে।
- অতঃপর রাসুলে পাক সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় হাত কবজি পর্যন্ত ধৌত করতেন।
- অতঃপর নাপাকির স্থান তথা লজ্জাস্থান বাম হাতে তিনবার ধোয়ত করতেন।
- অতঃপর ডান হাতের সাহায্যে বাম হাতের উপর পানি ঢেলে তা ধৌত করে নিতেন।
- অতঃপর তিনি ওযু করতেন।
- অতঃপর ডলে ডলে চুলের গোড়ায় পানি পৌছাতেন।
- অতঃপর দুই হাত ভরে তিনবার মাথায় পানি ঢালতেন।
- অতঃপর ডান কাঁধে তিনবার পানি ঢালতেন।
- অতঃপর বাম কাঁধে তিনবার পানি ঢালতেন।
- অতঃপর সমস্ত শরীরে পানি পৌছাতেন।
- সবশেষে গোসলের জায়গা হতে সরে গিয়ে পাদ্বয় ধৌত করতেন।
- গোসল শেষে রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুমাল ব্যাবহারের পরিবর্তে শরীর মুবারক থেকে পানি নিঃশেষে ঝেড়ে দিতেন ।আবার কখনো রুমাল দ্বারা মুছে নিতেন।
