ব্রেকিং নিউজ

ইসলামিক স্কুল একটি সর্বসাধারনের ওয়েবসাইট । এখানে আপনি ইসলামের যাবতীয় তথ্যাদি সঠিক রেফারেন্সে পেয়ে যাবেন । সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে ঘুমুতে যাওয়া পর্যন্ত সারা দিনের ফরজ,সুন্নাত সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা এখানে পেয়ে যাবেন

Saturday, July 20, 2019

উলামায়ে কেরাম ও ছাত্রদের উদ্দেশ্যে(মাওঃ আবু জাফর মুহাম্মদ ইবরাহীম)

উলামায়ে কেরাম ওছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলছি⟿


আমরা দীনী কাজের প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে মুসলমান ভাইদের পেছনে কয়েকভাবে মেহনত করতে পারি-

  1. হক্কানী উলামায়ে কেরামের সাথে দীনী সম্পর্ক জুড়ে দিতে পারি ।
  2. সুন্নাতের অনুসারী হক্কানী পীর-মাসায়েখের কাছে নিয়ে বাইয়াত করিয়ে দিতে পারি।
  3. প্রত্যেক আপন আপন মসজিদে নমুনায়ে সুফফার প্রোগ্রামগুলো চালু করতে পারি।
  4. দাওয়াত ও তাবলীগের সাথে জুড়ে দিতে পারি।
  5. যারা মাদরাসায় পড়ে না ,তাদেরকে তাশকীল করে মাদরাসায় পড়ার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে পারি।
  6. ছোটদের এবং বয়স্কদের জন্য প্রতিটি মসজিদে নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন ও দীনী শিক্ষার কোর্স চালু করতে পারি।
  7. স্কুল, কলেজ,ও ইউনিভার্সিটির প্রধানদের সাথে যোগাযোগ করে দীনী তা লীমের ব্যবস্থা করতে পারি।
  8. কলকারখানা, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থানে কর্মরত লোকদের পিছনে দীনী মেহনত করতে পারি।


উলামায়ে কেরাম ও মাদরাসার ছাত্ররা আপন আপন ছুটিতে নিজ পরবার পরিজন তথা মা-বাব, ভাই-বোন এবং এলাকার মুসলমান ভাইদের পিছনে দীনী মেহনত করুন।যথা- তাদেরকে কালিমা, ঈমান, নামায, কুরান তেলোয়াত, রোযা ও হজ্জ-যাকাত এবং অন্যান্য দীনী বিষয়াবলি শেখান।কাউকে তিরস্কার কিংবা ভর্ৎসনা না করে, মারপিট বা গালমন্দ থেকে বিরত থেকে প্রিয় নবীজী ও সাহাবায়ে কেরাম এবং আকাবেরে উম্মতের মত হিকমতের সাথে শুধু জাহান্নামের ভয় এবং জান্নাতের সুসংবাদ দানের মাধ্যমে দীনী মেহনত করুন।

আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন। আমিন!

Wednesday, July 17, 2019

উলামায়ে কেরামের ৮ টি দায়িত্ব



আলেমগণ হচ্ছেন নবীর উত্তরসূরি।তাই তাঁদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের থেকে একটু বেশিই।
একজন সাধারণ মুসলমানের প্রধান দায়িত্ব ৪ টি।আলেমগণের ক্ষেত্রে সাথে আরো ৪ চারটি দায়িত্ব রয়েছে,যা নিছে দেওয়া হলো।

লা ইলাহা ইল্লাল্লহ


মানুষ হিসেবে ৪ টিঃ

  1. ঈমান আনা
  2. আমলে সালেহ তথা সৎ কর্ম করা
  3. সঠিক দীনের উপর থাকার জন্য একে অপরকে উপদেশ দিতে থাকা
  4. আমলের পাবন্দী করার জন্য একে অপরকে উপদেশ দিতে থাকা। অর্থাৎ কারো মধ্যে কোনো ত্রুটি দেখতে পেলে তা সংশোধনের নসীহত করা। 

নবীর উত্তরসূরি হিসেবে আরো ৪ টি কাজ রয়েছে যা নবীজীর যুগে নবুয়তের দায়িত্ব হিসেবে ছিলোঃ

  1. কুরানে কারীম তেলোয়াত করে লোকদের শোনানো।
  2. বাহ্যিক ও আত্মিক সব ধরনের নাপাকি তথা বাতিল আকিদা ও মন্দ স্বভাব-চরিত্র থেকে পবিত্র করে উত্তম স্বভাব -চরিত্রে চরিত্রবান করা।মন্দ স্বভাব হলো ১০ টিঃলোভ, আশা, ক্রোধ, মিথ্যা, পরনিন্দা, কার্পণ্য, হিংসা, লোক দেখানো আমল ও বিদ্বেষ। আর উত্তম স্বভাব হলো ৯ টিঃ ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, অল্পেতুষ্টি, জ্ঞান, বিশ্বাস, সমর্পণ, নির্ভরশীলতা, সন্তুষ্টি ও স্বীকৃতি।
  3. কুরানে কারীমের ভাববস্তু তথা কুরানে উল্লিখিত মাসয়ালা ও নসীহত ইত্যাদি শেখানো। 
  4. লোকদের সুন্নাত তথা সেসব তালীম ও হিদায়াত শেখানো, যেগুলো রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তি, কর্ম বা অনুমোদন দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দীনী অত্যাবশ্যকীয় সকল ইলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 


এই বিষয়-চারটি নবুয়াত যুগে রিসালাতের পদবীয় কর্তব্য হিসেবে সূরা জুমুআয় উল্লেখ হয়েছে-
"তিনিই নিরক্ষরদের মধ্যে থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাঁদের নিকট পাঠ করেন তাঁর আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত, যদিও ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট ভ্রান্তিতে ছিলো।"


এভাবে এ বিষয়টি সূরায়ে বাকারা [আয়াত ১২৯ ও ১৫১] ও সূরা আলে ইমরানে [আয়াত ১৬৪] বর্ণিত হয়েছে। এসব আয়াত দ্বারা এ বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, এ কাজে চারটি হল নবী-প্রেরণের উদ্দেশ্য। আর এগুলো হল রিসালাতের পদবীয় দায়িত্ব বা করনীয়।






Sunday, July 14, 2019

সহীহ হাদীসের ইলম কীভাবে এবং কোথা থেকে হাসিল করবেন?



হাদীসের কিতাব সমুহ বিভিন্ন ধরনের। সব ধরনের কিতাব সব শ্রেনীর পাথকের জন্য উপযোগী নয়।কারণ সব শ্রেণীর মানুষ সব ধরনের কিতাব থেকে যথাযথ উপকৃত হতে পারে না।সব শ্রেণীর পাঠকের উপযোগী কিছু কিতাবের নাম নিম্নে দেওয়া হলোঃ


  1. আল আদাবুল মুফরাদ, ইমাম বুখারী
  2. রিয়ায়ুস সালেহীন,ইমাম নববী
  3. আলয়াযকার,ইমাম নববী
  4. আল হিসনুল হাসীন, ইবনুল জাযারী
  5. আশশামায়েল, ইমাম তিরমীযি
  6. মিন মায়িনিশ শামায়েল, সালেহ আহমদ শামী
  7. মাআরেফুল হাদীস,মুহম্মাদ মঞ্জুর নোমানী
  8. তরজমানুস সুন্নাহ, বদরে আলম মীরাঠী
  9. হাদীসের আলো, মুহিউদ্দিন ইবনে শায়েখ মুহম্মদ আওয়ামা
  10. মুন্তাখাব হাদীস,মাওলানা মুহম্মাদ ইউসুফ
  11. হাদিসের আলো জীবনের পাথেও, তরজমাঃউম্মে আবদুল্লাহ,ব্যাখ্যাঃ মাওঃ আবু তাহের মিসবাহ
  12. ফাযায়েলে জিন্দেগী, মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন
  13. ফিকহুস সুনানী ওয়াল-আছর, আমিমুল ইহসান মুজাদ্দেদী
  14. দলিলসহ নামাযের মাসায়েল, মাঃ আব্দুল মতিন
  15. নবীজীর নামায, ইলিয়াস ফয়সাল, মদিনা মুনাওরা, অনুবাদঃ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ, প্রকাশকঃ মাকতাবাতুল আশরাফ।

এর মধ্যে কিছু কিছু কিতাবে তো হাদীসের সাথে বাংলা অনুবাদও আছে।অন্য কিতাবগুলোর অধিকাংশেরই বাংলা কিংবা ইংরেজি অনুবাদ হয়েছে। এই সব কিতাব পড়ার ক্ষেত্রে কোনো স্থানে প্রশ্ন জাগলে নিজে দেমাগ খরচ না করে আলেমদের কাছ থেকে বুঝে নিতে হবে ।
আল্লহ আমাদের আমল করার ও অন্যদের কাছে পৌছানোর তাওফিক দান করুন।আমিন।।

Saturday, July 13, 2019

অনুভূতি।। কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


অনুভূতি

মোহাম্মদ শরিফ


সে এক অন্য রকম অনুভূতি
মেহেদী রাঙ্গা হাতের পরশে
জীবন্সমুদ্রে ভেসে আসা
হৃদয়ের আকুতি


সে তো আধ্যাত্মিক জমিনে পদচারণ
ধুলিত পশমের মত চলে উড়ে
অজান্তে ধুরে ফিরে সে
কারণে অকারণ

তুমি আর আমি।। কবিতা।। মুহাম্মাদ শরিফ



তুমি আর আমি
মোহাম্মদ শরিফ

তুমি,
কবিতার ছন্দে বাঁধতে চাওনি
তবু লিখেছি অবলীলায়
বাঁধতে চাওনি নাটকের সংলাপে
তবু থামেনি অভিনয়।

উপন্যাসের চরিত্রে বা ছোটগল্পের পর্বে
রাখতে চাওনি তবু থেকেছি
তোমায় পাওয়ার গর্বে।

বুঝবে যেদিন,নির্বাক চেয়ে থাকা
আমার অতি আহ্বান
জানবে সেদিন, ভালোবাসি আমার
অস্তিত্ত পরিমাণ।

নিজেকে হারিয়ে আবার খুজে পায়
জানে অন্তর্যামী,
কল্পনার নীলে মিশে একাকার
অস্তিত্তে তুমি আমি।

Friday, July 12, 2019

পরিবেশ বিজ্ঞান।। কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


পরিবেশ বিজ্ঞান
-মুহাম্মাদ শরিফ


মিল ফ্যাক্টরি আর কলকারখানায়
যাচ্ছে ভরে দেশ
ছাড়ছে ধোঁয়া, বাড়ছে ক্রমেই
দূষিত আবেশ।

দেশ রক্ষা করতে গিয়ে
করছে ক্ষতি খুবই
যেদিক তাকায়,দেখতে পাই
দেশের ভরা ডুবি।

শব্দ, বায়ু, পানি দূষণ
আরো কতকি!
চলিন দেখি কিছু শিখি
তাছাড়া উপায় কি?

আমার দেশের আকাশ মাটি যদি
নাই বা থাকে ভালো,
অন্তিমক্ষণে, সুশীলজনে
কি আর হবে বলো?

সোনার বাংলা গড়তে ,বাড়াও
সচেতনাতার মান
এজন্য ভাই,দরকার তাই
পরিবেশ বিজ্ঞান।


Thursday, July 11, 2019

বসন্তের অপেক্ষায়।।কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


বসন্তের অপেক্ষায়
মোহাম্মদ শরিফ


সবুজ কচি পাতা
নব উজ্জ্বল হাসি নিয়ে
এসেছিলে জীবন রাঙ্গাতে
ঝড় হাওয়া বা দূর্যোগ ভয়ে দেখা
দুঃস্বপ্ন ভাঙাতে

একটি বছর তিলে তিলে
আশার প্রদীপ জ্বেলে দিলে
বছর শেষে কি জানি শীতের ভিয়ে
জীবন থেকে নিজেই ঝরে গেলে।।

বছর আসে চলে যায়
তবে, আর হারানোর ভয় নাই
নতুনের আগমনের জন্য আছি
বসন্তের অপেক্ষায়।।


বাংলা ভাষা।।কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


বাংলা ভাষা
মোহাম্মদ শরিফ


বাংলা ভাষা বাংলা ভাষা
আমাদের এই মাতৃভাষা
এই ভাষাতেই কথা বলে
জূড়ায় মোদের মনের আশা
বাংলা ভাষা

কৃষক চাষা,জেলে
এই ভাষাতেই কথা বলে।
এই ভাষাতেই কথা বলে
জুড়ায় জল পিপাসশা
বাংলা ভাষা।

রাতের স্নিগ্ধতা।।কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


রাতের স্নিগ্ধতা
মোহাম্মদ শরিফ

চড়ুই ডাকে কড়ুই গাছে
কিচির মিচির করে,
একরোখা ঝিঁঝিঁপোকা
ডাকে ঝোপে ঝাঁরে।

তারার ঝলক আসমানেতে
মিটিমিটি জ্বলে
জোসনা রাতে আমার সাথে
চাঁদে কথা বলে।

আঁধার রাতের স্নিগ্ধ আলো
পরম কোমল ছোঁয়া
বকুল ফুলের সুগন্ধতে
এমনি মাতওয়ারা।

Wednesday, July 10, 2019

সাক্ষাৎ।। কবিতা।।মুহাম্মাদ শরিফ


সাক্ষাৎ
মোহাম্মদ শরিফ

এত সাহস পেলে কোথায়?
খালা মণির কাছে
এত আগে বলে দিলে?
হারিয়ে ফেলি পাছে।

দুশ্চিন্তায় ছিলে কি না?
ছিলাম আমি বটে-
আমায় দেখে কি মনে হয়?
আশার ফুল যে ফোটে।

কি এমন দেখলে আশা?
অনেক দূরের পথ।
একটু বলো শুনি দিয়ে মন-
দাম্পত্যের রথ।

কি করি বলো এখন তবে?
চলোনা বাঁধি ঘর
এত তাড়া কিসের ওগো?
থাকিবো না আর পর।

আর কি চাই,তোমার বলো?
যদি তোমায় পাই,
বলবো আমি এই দুনিয়ার,
আর কিছুই না চাই।

Monday, July 01, 2019

খাবার খাওয়ার সুন্নাত সম্পর্কে জেনে রাখা জরূরী পর্বঃ ১



খাবার  খাওয়ার পুর্বে চারটি বিষয় জেনে রাখা জরূরী 
  1. আলাহর হুকুম মনে করে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করা ।যেহেতু আল্লাহ পাক হুকুম দিয়েছেন " তোমরা খাও পান কর" সুতরাং ক্ষুদা নিবারনের জন্য নয় আল্লাহর হুকুম জেনে  খানা খাওয়া।
  2. খাদ্যের মাধ্যমে আল্লহ পাক যে শক্তি দান করবেন, তাঁর দ্বারা ইবাদত করার নিয়ত করা।
  3. খানার কোনো শক্তি নেই এই একীন করে খাওয়া। যদি শক্তি থাকতো তবে একই পরিবারের সদস্যগণ একই খানা ভক্ষণ করছে কিন্তু একজন মোটা-যুবক হচ্ছে আর একজন দুর্বল বা বুড়ো হচ্ছে, এমনটি হতো না।
  4. খানা খোঁজ খবর নিয়ে খাওয়া। আমি বাসার জন্য মাছ ক্রয় করিনি, বাসায় মাছ দেখছি,কোত্থেকে এলো খোজ নেওয়া। হোটেলে গোশত খেলে। বিসমিল্লাহ বলে জবেহ করেছে কি না খোঁজ নেওয়া। ইত্যাদি।

খানা খাওয়ার সুন্নত তরীকা 
  1. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন পদ্ধতির এক পদ্ধতি তে বসতেন। 
  2. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেয়ার টেবিলে বসে কখনো আহার করেন নি।
  3. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহারের জন্য সর্বদা ডান হাত ব্যাবহার করতেন।
  4. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধিক লোক নিয়ে খানা খেতেন।এবং বলতেন যত হাত তত বরকত।
  5. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য বস্তুর প্রশংসা বা নিন্দা কোনোটাই করতেন না, প্রশংসা না করার কারণ এই যে, প্রশংসার দ্বারা লোভ লালসা এসে যায় এবং নিন্দা না করার কারণ এই যে, এটা আল্লাহ পাকের নেয়ামত।
  6. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খানার পূর্বে দুই হাত ধৌত করতেন। বর্তমানে আমরা এক হাত ধৌত করি,এটা সুন্নতের পরিপন্থি। 
  7. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা দস্তর খানা বিছিয়ে খানা খেতেন। 
  8.  রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম লোকমা গ্রহণের সময় এ দুআ  পড়তেন-উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ওয়াআলা-বারকাতিল্লা-হ, অথবা ইয়া-ওয়াসিআল মাগফিরলি।
  9. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খানার শুরুতে বিসমিল্লাহি এবং খানার শেষে আলহামদুলিল্লাহ পড়তেন।(এবং বলতেন, যে নেয়ামতের শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা হয়, সে নেয়ামতের হিসাব নেওয়া হবে না। ) 
  10. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খানার শুরুতে দ্যা ভুলে গেলে এ দুআ পাঠ করতেন- উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরহ।
  11. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনের থেকে খাওয়া শুরু করতেন। খানার মাঝে হাত দেওয়া থেকে বারণ করতেন আর বলতেন খানার মাঝে বরকত থাকে। 
  12. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঝে মাঝে আঙ্গুল চেটে খেতেন এবং ইরশাদ করতেন আঙ্গুল চেটে খাও,কারণ জানা নেই খানার কোন অংশে বরকত থাকে।আর আঙ্গুল চেটে খাওয়ার তরীকা হচ্ছেঃ প্রথমে মধ্যমা, অতঃপর শাহাদাত, বৃদ্ধা, অনামিকা ও কনিষ্ঠা চেটে খাওয়া। 
  13. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো তিন আঙ্গুলে কখনো চার আবার কখনো পাঁচ আঙ্গুলে আহার করতেন। পক্ষান্তরে দুই আঙ্গুলে আহার করাকে শয়তানের আহারের পদ্ধতি বলে আক্ষা দিয়েছেন।
  14. রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দস্তরখানায় অথবা পেয়ালা থেকে পড়ে যাওয়া খাদ্য তুলে খেতেন এবং বলতেন পড়ে যাওয়া লোকমা শয়তানের জন্য ছেড়ে দিও না। 
বাকি অংশ ২য় পর্বে আলোচনা করা হয়েছে। দয়া করে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে বাকি অংশ দেখে নিন।